Vol. 1 No. 1 (2022)

Editor-in-Chief

Professor (Dr.) Ashimananda Gangopadhyay

Journal of Cultural Research Studies

(ISSN: 2583-6137)

Vol. I, Issue I,

December 2022

Published: 26-09-2022

Articles

  • Terracotta Temple in Nadia History and Architecture

    Akhil Sarkar
    1-11
    Abstract views: 47Downloads: 33
    Abstract

    As one of the oldest and most notable districts of undivided Bengal, Nadia district was not only glorified for its excellent knowledge and spirituality of East India. The architectural style of the terracotta temple here was also unique. As a result, regional or independent architectural styles became predominant, detached from the central artistic tradition. So the temples were built one after the other in the style of Nadia's religious architecture, particularly under the patronage of the ruler or Zamindar, and in the style of terracotta architecture. The sculptures of the temples here are coherent and follow an attractive, elaborate painting motif. All these terracotta temples reflect the contemporary thoughts, motives, and culture of the remarkable artist Nadia. The emperors, especially Raghav Roy and Rudra Roy, played a significant role in Nadia's architectural style. But during the reign of Krishnachandra Roy, the greatest king of this dynasty, he introduced a distinct style of temple architecture instead of terracotta decoration. That is why the trend of building terracotta temples faded with his reign. This precious terracotta artefact from Nadia's temples has been neglected for centuries. I have tried to draw the attention of civil society and researchers to the history of these temples.

    Keywords: Architecture, terracotta, worship, Heritage, Inscriptions, temple, Architecture, Terracotta, Worship, Heritage, Inscriptions, Temple

  • বাংলার তন্তুবায় সমাজের অতীত-ইতিহাসের সন্ধানে

    Nilay Kumar Basak
    12-23
    Abstract views: 35Downloads: 19
    Abstract

    কারুশিল্পের অন্যতম প্রধান শাখা বয়নশিল্পের যেমন একটি বর্ণিল ও উৎসাহব্যঞ্জক ইতিহাস রয়েছে ঠিক তেমনই এই বয়নশিল্পের সাথে যুক্ত শিল্পীদেরও একটি সমৃদ্ধ অতীত রয়েছে। এই বয়নের কাজ যিনি সমাধা করেন তিনি তন্তুবায়। তবে এই শ্রেণিকে চিহ্নিত করতে তাঁতি, জোলা, যুগী, কারিগর প্রভৃতি অভিধা ব্যবহার করা হলেও এদের মৌলিক কর্মকান্ড তাঁতকে কেন্দ্র করে। তাই এরা সকলেই তাঁতজীবী। কার্পাসজাত বস্ত্রশিল্পের সুতিকাগার ভারতবর্ষে বয়নের উৎকৃষ্টতম কেন্দ্র ছিল বাংলা। তাঁতশিল্প বাংলার সনাতন ঐতিহ্য এবং এর ধারক ও বাহক ছিলেন এখানকার তন্তুবায়কুল। একসময় বাংলার তন্তুবায়কুলের পারম্পরিক বয়ন কৌশলের দ্বারা সৃষ্ট ‘মসলিন’ সমগ্র পৃথিবীর বিস্ময় উদ্রেক করতে সক্ষম হয়েছিল। কিন্তু যে বাংলা সমগ্র ‘পৃথিবীর তাঁতঘর’ হিসেবে পরিগণিত হতো একসময়, সেই বাংলার তাঁতিদের আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অবস্থার অধিকাংশই আলোচনার বাইরে থেকে গেছে। ফলে তাঁদের সম্পর্কে সামগ্রিক একটা চিত্র আমাদের সামনে ধরা দেয় না। তাঁদের উৎপত্তি সম্পর্কে বিভিন্ন হিন্দুপুরাণে কোথাও ভগবান শিবের মানসপুত্র শিবদাস এবং কোথাও বিশ্বকর্মাকে তন্তুবায়দের আদিপিতা বলা হয়েছে।  ইতিহাসের ছিন্নপত্র পাতা থেকে জানা যায় যে, প্রাচীনকালে তন্তুবায় সমাজ ‘শূদ্র’ হিসাবে পরিগণিত হতেন। প্রকৃতপক্ষে তন্তুবায় সমাজ ‘নবশাখ’ শ্রেণির অন্তর্গত। বাংলার তন্তুবায়কুলের মধ্যে যেমন বিভিন্ন প্রকার শ্রেণিবিভাগ রয়েছে তেমনই রয়েছে গোত্র এবং পদবির বৈচিত্র্য। তাঁদের জীবন-জীবিকা, সংস্কৃতি, অর্থনৈতিক কাঠামো ইত্যাদি সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়েছে। বাংলার এই তাঁতজীবী সম্প্রদায়কে নিয়ে যে সব আলোচনা হয়েছে তা হয় বস্ত্রশিল্পের অনুষঙ্গে, নয়তো জাতিকুলের প্রসঙ্গে। সেই সব অনুষঙ্গ-প্রসঙ্গ থেকে বাংলার তন্তুবায় সমাজের অতীত–ইতিহাসের সম্পর্কে সামান্য কিছু আলোকপাত করার প্রচেষ্টা করা হয়েছে এই আলোচনায়।

    Keywords: বয়নশিল্প, বঙ্গদেশ, মসলিন, তন্তুবায়, নবশাখ, শূদ্র, হিন্দু ও মুসলমান তাঁতি

  • বেলপুকুরের কালিকা আরাধনা একটি লৌকিক ইতিবৃত্ত

    Debadrita Bhattacharyay
    24-29
    Abstract views: 26Downloads: 23
    Abstract

    নবদ্বীপের গঙ্গার দিকে থেকে যদি খানিক পূর্বদিকে যাওয়া যায়,তাহলে পাওয়া যাবে এক বর্ধিষ্ণু ব্রাহ্মণপ্রধান গ্রাম;বেলপুকুর।যার আদি নাম বিল্বপুস্করিণী।নবদ্বীপের ন'টি দ্বীপের সীমান্ত দ্বীপ হিসাবে পরিগণিত হয় এই গ্রামটি।আর পাঁচটা গ্রামের মতোই শান্ত জনজীবন,বয়ে চলা জলঙ্গীর স্রোতের সঙ্গে জুড়ে রয়েছে আনুমানিক ৪০০ বছরের ঐতিহ্য এবং নিয়মে বাঁধা প্রতি ঘরে ঘরে কালীপুজোর এক রীতি।এছাড়া  নবদ্বীপ শক্তি সাধনা ও তার সঙ্গে তন্ত্র সাধনার বৃহত্তর প্রসার কেন্দ্র হিসেবে সুপরিচিত ছিল। শুদ্ধাচার শক্তি সাধনার পথপ্রদর্শক রূপে আবির্ভূত হয়েছিলেন কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ ও তাঁর পিতা মহেশ্বর গৌড়াচার্য।  কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ ১৭০টি তন্ত্র ও উপতন্ত্রের সার সংগ্রহ করেই রচনা করেছিলেন বৃহৎতন্ত্রসার। যেকারণে সাধারণের হৃদয় থেকে তান্ত্রিক, কাপালিকদের সম্পর্কে কয়েক শতাব্দী ধরে জমে থাকা ভীতি ও ঘৃণা দূর হতে থাকে এবং শক্তি আরাধনার প্রতি মানুষ ক্রমশ আকৃষ্ট হতে থাকে।  ক্ষুদ্র পল্লীতে একসময় বহু প্রগাঢ় পন্ডিতদের আবাসস্থান ছিল। নব্য-ন্যায়, স্মৃতি, ব্যাকরণ ইত্যাদি নানা বিষয়ে প্রচুর টোল ও চতুস্পাঠী নির্মিত হয়েছিল। সেকারণেই বলা যেতে পারে যে, নবদ্বীপ ও শান্তিপুরের পরেই এই বিল্বপুষ্করিণী শিক্ষা ও  আধ্যাত্মিকতার হৃদপিন্ড হিসেবে দিগন্ত বিস্তৃত প্রভাব পরিলক্ষিত হয়েছিল। পণ্ডিতপ্রবর শ্রীযুক্ত দেবীপ্রসন্ন স্মৃতিরত্ন ও পন্ডিত শ্রীযুক্ত সুরেন্দ্রনাথ তর্করত্ন প্রমুখ স্বনামধন্য পন্ডিতদের নাম পাওয়া যায়।  মহাবংশে উল্লেখিত রত্নগর্ভের বংশধর পন্ডিত রামচন্দ্র ভট্টাচার্য্য নদীয়ার শাসক রুদ্র রায়ের বৃত্তিভোগী ছিলেন বলে কথিত আছে। জনশ্রুতি অনুযায়ী পন্ডিত রামচন্দ্র ভট্টাচার্য একদা এক পুকুর তীরে বিল্ববৃক্ষতলে সাধনায মগ্ন হয়েছিলেন এবং  সিদ্ধি লাভ করেছিলেন বলে এই গ্রামের নামকরণ হয়েছিল বিল্বপুষ্করিণী যার প্রচলিতে নাম বেলপুকুর।

    Keywords: কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ, বিল্বপুস্করিণী, শক্তি সাধনা, গৌড়াচার্য, কালীপুজো

  • নদীয়ার লোকশিল্প

    Sukanya Pal
    30-36
    Abstract views: 38Downloads: 29
    Abstract

    লোকশিল্প  যে  কোন  দেশের  লোকসংস্কৃতির লোকসংস্কৃতির  একটি  মূল্যবান  সম্পদ।  কেননা  লোকশিল্প  কলা  যে  কোন  দেশ  ও  জাতির  পরিচয়বাহী।  বাংলার  লোকশিল্প  অতি  প্রাচীন  ঐতিহ্য  মন্ডিত।  ভারতীয়  লোকশিল্পের  ঐতিহ্যে  পশ্চিমবঙ্গ  বহু  প্রাচীন  ঐতিহ্যময়  লোকশিল্পের  ভান্ডার  রূপে  পরিচিত।  লোকশিল্প  লোকসংস্কৃতির  অন্যতম  শাখা।  লোকসংস্কৃতির  পরিধি  বিস্তৃত  ও  ব্যাপক।  লোকসংস্কৃতি  হল  ব্যক্তি  বা  গোষ্ঠীর  পরম্পরাগত  সৃষ্টি,  যার  মধ্যে  গোষ্ঠীর  আশা-আকাঙ্খা  প্রতিফলিত  হয়।  যার  মধ্যে  ঐ  গোষ্ঠীর  নিজস্ব  সংস্কৃতি,  সামাজিক  পরিচয়  ও  মূল্যবোধ  ধারাবাহিকতার  সঙ্গে  অনুভূতির  মাধ্যমে  সঞ্চারিত  হয়।  সামগ্রিকভাবে  লোকসংস্কৃতিকে  দুটি  ভাগে  ভাগ  করা  যেতে পারে –  ১) বস্তুগত  লোকসংস্কৃতি  ২) রূপায়ত লোকসংস্কৃতি।  বস্তুগত  লোকসংস্কৃতির  একটি  গুরুত্বপূর্ণ  শাখা  হল  লোকশিল্প  যেমন– মৃৎশিল্প,  শোলশিল্প,  শঙ্খশিল্প,  বাঁশের কাজ  বা  শিল্প,  দারু  তক্ষণ শিল্প, সরাপট  শিল্প  প্রভৃতি।  লোকশিল্প  প্রসঙ্গে  বাংলাদেশের  লোকসংস্কৃতিবিদ তোফায়েল  আহমেদ বলেছেন - “উন্নত  সমাজের পরিমণ্ডলে  অবস্থিত  ভৌগোলিক  অথবা  সাংস্কৃতিক  বিচ্ছিন্নতার  দরুণ  কোনো  জনগোষ্ঠী  যখন  সমসাময়িক  ও  পরিশীলিত  চিত্রকলার  ধারা   বহির্ভূত  স্বতন্ত্র  স্টাইল  বা  রীতিতে  গোষ্ঠীর  প্রয়োজন  ও  রুচিমাফিক  শিল্প  সৃষ্টি  করে  তাকে  লোকশিল্প  বলা হয়।”  সুতরাং  বলা  যেতে  পারে  যে,  একটি  নির্দিষ্ট  ভৌগোলিক  পরিমণ্ডলে  বসবাসকারী  শৈল্পিক  চেতনালব্ধ  ঐতিহ্যময় মানবগোষ্ঠী,  প্রাকৃতিক  সহজলভ্য  উপাদানের  সাহায্যে  প্রথাগতভাবে  বংশ  পরম্পরায়  লোকায়ত  সমাজভাবনার  প্রতিবিম্বরূপে  শাশ্বত  যে  শিল্পকর্ম  করে  তাই-ই  ‘লোকশিল্প’।  পশ্চিমবঙ্গের  বিভিন্ন জেলার  লোকশিল্পের  পাশাপাশি  নদীয়া  জেলার  লোকশিল্প  অতি  প্রাচীন  ঐতিহ্যমন্ডিত  লোকশিল্প  হিসাবে  পরিচিত। 

    Keywords: লোকশিল্প, লোকসংস্কৃতি, ভৌগোলিক, প্রতিবিম্বরূপ, ঐতিহ্য

  • সতীনাথ ভাদুড়ীর দৃষ্টিতে অন্ত্যজ জীবন ঢোঁড়াই চরিত মানস আখ্যানের প্রেক্ষিতে

    রবীন্দ্রনাথ হাঁসদা
    37-45
    Abstract views: 30Downloads: 18
    Abstract

    এখানে সতীনাথ ভাদুড়ীর কথাসাহিত্যের প্রেক্ষিতে অন্ত্যজ শ্রেণীর মানুষদের অবস্থানের কথা আলোচনা করা হয়েছে। আমরা স্বাধীনোত্তর কালের বাংলা সাহিত্যে অন্ত্যজ শ্রেণীর মানুষদের চালচিত্র বেশি করে পেয়ে থাকি। তবে প্রাগাধুনিক বাংলা সাহিত্যে বিশেষত মঙ্গল কাব্যেও আমরা এই শ্রেণীর মানুষদের পেয়েছি। দুর্ভাগ্যের বিষয় প্রথম দিকের বাংলা কথা সাহিত্যে সেভাবে এই শ্রেণীর মানুষদের আমরা পায় না।  তারপর সময়ের সাথে সাথে তাল মিলিয়ে বাংলা কথা সাহিত্যে অভিমুখ বদলে যেতে দেখেছি। আর সেটা সম্ভব হয়েছে একমাত্র কল্লোল গোষ্ঠীর লেখকদের হাত ধরে ।  তাই বিশ শতকে এসে কল্লোল যুগের লেখকগোষ্ঠীদের আগমণে সাহিত্যে আমরা পালাবদল দেখে থাকি। এতকাল ধরে বাংলা সাহিত্য যে পথে চলতে অভ্যস্ত সেই চেনা পথে না গিয়ে এই যুগের লেখকেরা স্বতন্ত্র একটি পথ নির্মাণ করেন। তাদের হাত ধরে বাংলা  সাহিত্যে শোষিত-বঞ্ছিত-লাঞ্ছিত অন্ত্যজ শ্রেণীর মানুষের কথা উঠে আসে। সাহিত্যের দরবারে যারা এতকাল ধরে উপেক্ষিত ছিল এরপরে তারা এসে ভিড় জমাতে শুরু করে। এইভাবেই বাংলা সাহিত্যে নিম্নবর্গীয় সমাজ, সংস্কৃতির কথা উঠে এসেছে। তাদের জীবন-জীবিকার কথা, প্রতিকূল পরিস্থিতির সাথে লড়াই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বেঁচে থাকার এক অনবদ্য কাহিনি আমরা এই আখ্যানে পেয়েছি।

    Keywords: সতীনাথ, অন্ত্যজ, ঢোঁড়াই, আখ্যান, দৃষ্টি